• Tuesday, May 21, 2019

রাজশাহী জেলার ৮ উপজেলায় আ’লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী

  • Mar 10, 2019

রাজশাহীর সবগুলো উপজেলাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফলে তারা পরাজিত করেছেন নিকটতমদের। রাজশাহীর দুর্গাপুরে নজরুল ইসলাম, বাগমারায় অনিল সরকার, চারঘাটে ফকরুল ইসলাম, তানোরে লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না, গোদাগাড়ীতে জাহাঙ্গীর আলম ও পুঠিয়ায় জিএম হিরা বাচ্চু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার সকাল ৮টার দিকে জেলার ৫২২ কেন্দ্রে শুরু হয় একযোগে ভোটগ্রহণ। আর এই ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

রাজশাহীতে নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে চারঘাটে নৌকার প্রার্থী ফকরুল ইসলাম পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী টিপু সুলতান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪০১।

পুঠিয়ায় নৌকার প্রার্থী জিএম হিরা বাচ্চু পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির অধ্যাপক আনসার আলী লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৪৩ ভোট।

তানোরে আওয়ামী লীগের লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ২২ ভোট। মাত্র ৩৫৪ ভোট কম পেয়ে ময়নার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম হাতুড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৬৬ ভোট।

বাগমারায় নৌকার প্রার্থী অনিল কুমার সরকার পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বাবুল হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৪ ভোট।

গোদাগাড়ীতে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. বদিউজ্জামান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ২১ ভোট।

দুর্গাপুর উপজেলায় নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল মজিদ সরদার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৫৪৯ ভোট।

প্রথম দফায় রাজশাহীর ৯ উপজেলার মধ্যে শুধু পবা উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো না। পবার নির্বাচনেরও তফশিল ঘোষণা করা হলেও সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে সেখানকার নির্বাচন এক বছরের জন্য স্থগিত হয়ে যায়। রাজশাহীর আট উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৫২২টি। আর ভোটার ছিলেন ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭৫ জন।